রোববার, ১৮ জানুয়ারি ২০২৬

| ৪ মাঘ ১৪৩২

ইলেকট্রনিক টোল এবং টিকিটিং সেবা

বাগেরহাটের ষাটগম্বুজ মসজিদ ও জাদুঘরেও ই-টিকিটিং চালু

টেকস্ক্রল নেটওয়ার্ক

প্রকাশ: ১৩:৩৩, ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ | আপডেট: ১৫:৪৭, ১৮ জানুয়ারি ২০২৬

বাগেরহাটের ষাটগম্বুজ মসজিদ ও  জাদুঘরেও ই-টিকিটিং চালু

ষাটগম্বুজ মসজিদ ও বাগেরহাট জাদুঘরের ই-টিকিটিংয়ের উদ্বোধন করেন ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব

ইলেকট্রনিক টোল এবং টিকিটিং সেবা

দেশের সব দর্শনীয় ও পর্যটন এলাকার টিকিট ব্যবস্থাপনায় কেন্দ্রীয় অনলাইন প্ল্যাটফর্মে আনতে মাইগভ ই-টিকিটিং চালু করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। লালবাগ কেল্লা ও জাতীয় উদ্ভিদ উদ্যানে এই সেবা কার্যকরের পর শুক্রবার বাগেরহাটের ষাটগম্বুজ মসজিদ ও জাদুঘরের ই-টিকিটিং সেবার উদ্বোধন করেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। ম্যানুয়াল টিকিটিংয়ের পরিবর্তে এই উদ্যোগ দর্শনার্থীদের ভোগান্তি কমাচ্ছে এবং রাজস্ব আদায়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করছে। প্রথম দিনে সাড়ে তিনশ  দর্শনার্থী ই–টিকিটিং ব্যবহার করেছেন।

এর আগে  ৩০ জুন লালবাগ দুর্গে ই-টিকিটিং চালুর পর ছয় মাসে ৩ লক্ষের বেশি দর্শনার্থী সেবা নিয়েছেন এবং প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ টাকার বেশি সরকারি রাজস্ব একপে’র মাধ্যমে আদায় করেছে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর।

ই–টিকিটিং চালুর ফলে আর লাইনে দাঁড়ানোর প্রয়োজন হবে না। দর্শনার্থীরা দেশের যে-কোনো স্থান থেকে অনলাইন পেমেন্টের মাধ্যমে মাইগভের ওয়েবসাইট, eticketing.mygov.bd–এ প্রবেশ করে টিকিট সংগ্রহ করে নির্ধারিত দিনে প্রবেশ করতে পারবেন।

টিকিট বিক্রয় ও দর্শনার্থীর প্রাথমিক তথ্য ডাটাবেজে সংরক্ষিত থাকায় শৃঙ্খলা, নিরাপত্তা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতে সহায়ক হবে।

বর্তমানে গাজীপুরের সাফারি পার্ক ও সুন্দরবনের বিভিন্ন পয়েন্টে ই-টিকিটিং চালুর কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। পরবর্তী ধাপে সুন্দরবনের করমজলসহ বন অধিদপ্তরের আওতাধীন মোট ১১টি পর্যটন স্পটকে এবং প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের ৩১ টি স্পটকেই (যেখানে যেখানে টিকিট প্রয়োজন হয়) এবং প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের আওতাধীন জাতীয় চিড়িয়াখানাকে ই-টিকিটিংয়ের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।

এর বাইরে আমরা বিদ্যমান ইটিসি'র পাশাপাশি নন-স্টপ ইলেকট্রনিক টোল কালেকশন (ইটিসি) সিস্টেমও চালু হয়েছে। এর মাধ্যমে গাড়ি থামানো ছাড়াই নির্ধারিত লেন ব্যবহার করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে টোল পরিশোধ করে সেতু পার হওয়া যাবে। আমরা এটিকে নাম দিয়েছি ডি-টোল। সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এবং সেতু বিভাগের সাথে আইসিটি যৌথভাবে কাজটি করছে।

ইলেকট্রনিক টোল ব্যবহারের জন্য প্রথমে ব্যবহারকারীদের নিজ নিজ পেমেন্ট ওয়ালেট (ট্যাপ, বিকাশ, নগদ, রকেট ইত্যাদি) অ্যাপে গিয়ে ‘D-Toll’ অপশনে গাড়ি রেজিস্ট্রেশন ও রিচার্জ করতে হবে। এরপর পদ্মা সেতুর আরএফআইডি বুথে শুধু প্রথমবারের মতো আরএফআইডি ট্যাগ চেক ও রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করতে হবে। প্রক্রিয়া শেষে গাড়ি ব্যবহারকারীরা ন্যূনতম ৩০ কিমি, সর্বোচ্চ ১২০ কিমি গতিতে ইটিসি লেন ব্যবহার করতে পারবেন এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে টোল কাটা হবে।

 আসছে ভার্চুয়াল মোবাইল সেবা এমভিএনও

পদ্মা সেতুতে পাইলটের পাশাপাশি রোল আউটও সম্পন্ন হয়েছে, যার মাধ্যমে প্রতিদিন সাড়ে ৩ লক্ষ টাকার বেশি আদায় হচ্ছে। অতি দ্রুত যমুনা সেতু এবং মেঘনা-গোমতী সেতু সহ দেশের আরও ১৭টি প্রধান প্রধান সেতুতে ডি-টোল সেবা সম্প্রসারণ করা হবে।

নাগরিকদের হয়রানি মুক্ত সেবা দেওয়ার গুরুত্বপূর্ণ যাত্রা শুরু হয়েছে, এতে বাঁচবে নাগরিকদের যাত্রার সময় এবং শ্রমঘণ্টা। 

 অনলাইনে তথ্যফাঁস ৮ গুণ বেড়েছে গত এক বছরে​​​​​​​

 

এ সম্পর্কিত খবর
আরও পড়ুন