কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের সতর্কবার্তা
ছবি আসল না নকল তা বের করাই বড় চ্যালেঞ্জ: ইনস্টাগ্রাম সিইও
টেক স্ক্রল
প্রকাশ: ১৬:৩২, ৬ জানুয়ারি ২০২৬ | আপডেট: ১৫:১৯, ৭ জানুয়ারি ২০২৬
কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের সতর্কবার্তা দিলেন ইনস্টা সিইও
কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের সতর্কবার্তা
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ২০২৫ সাল কেমন কেটেছে? এই প্রশ্নে বহু ব্যবহারকারীর প্রথমেই যা মনে পড়বে তা হলো এআইয়ের তৈরি ভিডিও আর ছবি। এসব ভিডিও আর ছবি শুরুতে সহজেই ধরা যেতো। ধীরে ধীরে সেগুলোতে ভুলের পরিমান কমতে থাকে। এখন তো এমন অবস্থা তৈরি হয়েছে যে খোদ নির্বাচন কমিশনকে এআই দিয়ে তৈরি মিথ্য ভিডিও-ছবি ঠেকাতে আলাদা টিম গঠন করতে হচ্ছে।
আসা যাক মূল প্রসঙ্গে। এআই দিয়ে ভিডিও-ছবি তৈরিতে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা ব্যাহত হওয়ার মতো ঘটনা আপাতত কম। তবে কপালে ভাঁজ পড়তে পারে কনটেন্ট নির্মাতাদের। জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ইনস্টাগ্রামের সিইও অ্যাডাম মোসেরি জানিয়েছেন, আগামীতে বাস্তব ছবির চেয়েও ভালো ছবি তৈরি হবে এআই দিয়ে এবং পরিমাণেও সেগুলোই বেশি থাকবে সোশ্যাল মিডিয়ায়।
যুক্তরাষ্ট্রে স্থানীয়দের তীব্র বাধার মুখে এআই ডাটা সেন্টার প্রকল্প
মোসেরি বলেছেন, শিগগির এআইয়ের মাধ্যমে তৈরি কনটেন্ট মানুষের তোলা সাধারণ ছবি বা দৃশ্যকে ছাড়িয়ে যাবে। আর এই পরিবর্তনের ব্যাপক প্রভাব পড়বে কনটেন্ট ক্রিয়েটর বা নির্মাতা ও ফটোগ্রাফারদের ওপর।
২০২৬ সালে ইনস্টাগ্রামের ভবিষ্যৎ কেমন হবে তা নিয়ে এক পোস্টে নিজের ভাবনা তুলে ধরেন মোসেরি। এআই কীভাবে প্ল্যাটফর্মটিকে পুরোপুরি বদলে দিচ্ছে, সে সম্পর্কেও জানিয়েছেন তিনি। তার মতে, একজন কনটেন্ট নির্মাতা নিজেকে আলাদা করে তুলতে পারেন কণ্ঠ, উপস্থাপনা আর যোগাযোগ দক্ষতার মধ্য দিয়ে। অথচ এসব বিষয় এখন সহজেই সঠিক এআই টুল ব্যবহারের মাধ্যেমে পাওয়া যাচ্ছে।
আসল না নকল, তা চেনা আরও কষ্টকর হয়ে উঠবে ভবিষ্যতে। এমনকি অসম্ভবও হতে পারে। উদ্বেগের বিষয় হলো, যারা এআই মডেল, ডাটা সেন্টারে শত কোটি ডলার বিনিয়োগ করছে, তারাই এআই আর আসল ভিডিওর পার্থক্য বের করতে পারছে না। সম্প্রতি মেটা জানিয়েছে, তাদের সোশ্যাল প্লাটফর্মে আসল আর নকল ভিডিও পার্থক্য করার প্রযুক্তি এখনও তৈরি হয়নি।
নিজ এনআইডিতে সিম রেজিস্ট্রেশন না থাকলে কি করবেন
